কাতারে জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবর রহমানের ৪২তম শাহাদাৎ বার্ষিকী ও জাতীয় শোক দিবস পালিত

যথাযথ মর্যাদা ও শোকাবহ পরিবেশে কাতারে অবস্থিত বাংলাদেশ দূতাবাসে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমানের ৪৩তম শাহাদাৎ বার্ষিকী পালিত হয়েছে।

বুধবার রাজধানী দোহা আল হেলাল বাংলাদেশ দূতাবাসে জাতীয় পতাকা অর্ধনমিত করেন রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমেদ। এরপর দূতাবাসে স্থাপিত জাতির পিতার প্রতিকৃতিতে ফুল দিয়ে শ্রদ্ধা নিবেদন করেন রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমেদ। দূতাবাসের কর্মকর্তা,বাংলাদেশ স্কুল এন্ড কলেজের অধক্ষ্য জসিম উদ্দিন,আওয়ামী লীগ,বঙ্গবন্ধু পরিষদ,যুবলীগ,ছাত্রলীগসহ বিভিন্ন সংগঠনের নেতৃবৃন্দরা বঙ্গবন্ধুর প্রতিকৃতিতে পুষ্পস্তবক অর্পণ করেন। এসময় স্কুলের অভিবাবক ও বিপুল সংখ্যক প্রবাসী উপস্থিত ছিলেন।

আলোচনা পর্বের শুরুতে শোক দিবস উপলক্ষে রাষ্ট্রপতি, প্রধানমন্ত্রী, পররাষ্ট্রমন্ত্রী এবং পররাষ্ট্র প্রতিমন্ত্রীর প্রদত্ত বাণী পাঠ করা হয়।

কর্মসূচির দ্বিতীয় পূর্বে দূতাবাসে আলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমেদের সভাপতিত্বে ও প্রথম সচিব নাজমুল হাসান সোহাগের সঞ্চালনায় অনুষ্ঠানের শুরুতে কুরআন তেলাওয়াত করেন আব্দুল জলিল।

বক্তব্যে রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমেদ বঙ্গবন্ধুর দীর্ঘ সংগ্রামী জীবন, আদর্শ ও বাংলাদেশের স্বাধীনতায় তাঁর অবিস্মরণীয় অবদানের কথা তুলে ধরে বলেন, বঙ্গবন্ধুর জন্ম না হলে আমরা একটি স্বাধীন দেশ পেতাম না। বঙ্গবন্ধু ১৯৫২ সালের ভাষা আন্দোলন থেকে শুরু করে দেশের প্রতিটি আন্দোলনে নেতৃত্ব দিয়েছেন, ১৯৭১ সালের ৭ মার্চ তাঁর ঐতিহাসিক ভাষণের মাধ্যমে তিনি মুক্তিযুদ্ধের দিক নির্দেশনা দিয়ে গেছেন। তাঁর স্বাধীনতার আহবানে সাড়া দিয়ে দীর্ঘ নয় মাসের রক্তক্ষয়ী মুক্তিযুদ্ধের মাধ্যমে আমরা স্বাধীন বাংলাদেশ পেয়েছি। ১৯৭৫ সালের ১৫ আগস্ট ঘাতকরা জাতির পিতাকে হত্যার মাধ্যমে জাতির ইতিহাসে একটি কলঙ্কজনক অধ্যায় রচনা করেছিল। বর্তমানে বাংলাদেশ অর্থনৈতিক ও সামাজিকভাবে এগিয়ে যাচ্ছে।এ ধারা অব্যাহত রাখতে হলে শোককে শক্তিতে পরিণত করে বিভিন্ন কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে প্রবাসে বাংলাদেশের ভাবমূর্তি উন্নয়ন করার আহবান জানান রাষ্ট্রদূত আসুদ আহমেদ।