পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ দেশের স্বীকৃতি অর্জন করলো কাতার

‘নামবেউ’ (ঘঁসনবড়) নামে পৃথিবীর সর্ববৃহৎ ডাটাবেজ কর্তৃক প্রকাশিত এক প্রতিবেদনে ‘অপরাধ তথ্যবিবরণী ২০১৯’-এ কাতারকে পৃথিবীর সবচেয়ে নিরাপদ দেশ বলে স্বীকৃতি দেয়া হয়েছে। পৃথিবীর ১১৮টি দেশের তথ্য বিশ্লেষণের পর নিরাপত্তার সকল মানদন্ডে উন্নীত হয়ে কাতার এই স্বীকৃতি অর্জন করে।

‘নামবেউ’ পৃথিবীর সকল দেশের বর্তমান বাসযোগ্যতা, জীবনযাপনের খরচ, আবাসন সূচক, স্বাস্থ্যসেবা, রাস্তার ট্রাফিক জ্যাম, অপরাধ এবং দূষণ বিষয়ে জরিপের মাধ্যমে এমন মানদন্ড নির্ণয় করে থাকে।

কাতার বেশ কয়েক বছর ধরেই এই জরিপের শীর্ষ তালিকায় অবস্থান করে আসছে। বিশেষত ২০১৫ সাল থেকে ২০১৯ সাল পর্যন্ত কাতার অন্যান্য আরব দেশের চেয়ে নিজের অবস্থানকে অনেক এগিয়ে রাখে। তবে ২০১৭ এবং ২০১৯ সালে কাতার পৃথিবীর সকল দেশের চেয়ে নিরাপদ দেশ হওয়ার গৌরব অর্জন করে। এই অর্জন কাতারের সার্বিক নিরাপত্তা ও সুরক্ষার প্রমাণ বহন করে। তেমনি অপরাধ সংঘটন এবং তা দমনের ব্যাপারেও দেশটির কার্যকর ভূমিকা প্রণিধানযোগ্য বলে প্রতিবেদনে উল্লেখ করা হয়।

প্রতিবেদন মতে, যে দেশ অপরাধ সংঘটনের তালিকায় সবচেয়ে নিচে থাকে সে দেশকে সর্বোচ্চ নিরাপদ দেশ হিসেবে ধরা হয়। সে হিসেবে ১১৮টি দেশের মধ্যে কাতারেই সবচে কম ছিল অপরাধ সংঘটনের হার। অপরাধের তথ্যবিবরণীতে দেখা যায়, অপরাধ সংঘটন মানদন্ডে কাতারের স্কোর ছিল মাত্র ১৩.২৬। এই হিসাবে নিরাপত্তার ক্ষেত্রে কাতারের অবস্থান শতভাগে ৮৬.৭৪ শতাংশ।

‘নামবেউ’ ২০০৯ সাল থেকে পৃথিবীর বিভিন্ন দেশের অপরাধ সংঘটনের হার জরিপ করে এই বার্ষিক তথ্যবিবরণী প্রকাশ করে থাকে। অপরাধ, অপরাধ সংঘটনের ধরন এবং আইন লঙ্ঘনের বিভিন্ন ধারার ওপর ভিত্তি করে অপরাধের শ্রেণিবিভাগ করা হয়। সেই শ্রেণিবিভাগে অপরাধের মাত্রা যত বেশি হয় সেই দেশের নিরাপত্তার হার তত হ্রাস পায়।- গাল্ফ বাংলা।